Emma Watson’s UN Speech Fully Localized in Bangla

Maliha Momtaz Islam

1

We have established localization in the heart of our contribution , to be honest i , myself am a localizer and have started contributing through localizing the webmaker UI . But even after promising , i couldn’t contribute in localizing this wonderful yet thoughtful speech of my one of the most favourite actress Emma Watson 😉 in the UN except for a few lines only as i am busy . So i forwarded the message of Larissa to my community and thanks to our awesome community lead Mahay Alam Khan , he lead and made the L10n done with the help of our awesome contributors just with in the blink of an eye.Special thanks goes to Seeam , Salman and others to get the job done . Indeed HeForShe!! 😉

6928873-large

Emma Watson on her speech in the UN

The Bengali localized version of Emma Watson UN Speech is as follows –

গত ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে নিউইয়র্কে অবস্থিত জাতিসংঘের প্রধান কার্যালয়ে হিফরসি  উদ্যোগ নিয়ে বক্তব্য দেন জাতিসংঘের নারী বিষয়ক কার্যক্রমের শুভেচ্ছা দূত এমা ওয়াটসন। তার পূর্ণাঙ্গ বক্তব্য:

আজ আমরা ‘HeForShe’ নামের একটা প্রচারনা শুরু করেছি।

আমি আপনাদের কাছে এ বিষয়টি তুলে ধরতে চাই কারন আপনাদের সহযোগিতা প্রয়োজন। আমরা লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে চাই এবং এ কাজে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।এটা জাতিসংঘের জন্য প্রথম একটি উদ্যোগ: আমরা চেষ্টা করছি লিঙ্গ বৈষম্যের বিষয়টিকে সবার কাছে তুলে ধরতে। যতটা সম্ভব মানুষের মাঝে বিষয়টি ছড়িয়ে দিতে। এবং আমরা শুধু কথাই বলতে চাই না, বাস্তবে যাতে এ বৈষম্য দূর করা যায় সেটি নিশ্চিত করতে চাই।

আমাকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে ছয় মাস আগে এবং যত বেশি আমি নারীবাদ নিয়ে কথা বলেছি, ততই আমি বুঝতে পেরেছি যে, নারী অধিকার নিয়ে লড়াই করা আর পুরুষ বিদ্বেষী হওয়া একই কথা। যদি আমি একটা বিষয় নির্দিষ্ট করে জানি, তবে তা হচ্ছে: এটাকে বন্ধ করতে হবে।

প্রমান হিসেবে, নারীবাদের সংজ্ঞা হচ্ছে: “একটি বিশ্বাস, যে নারী এবং পুরুষ উভয়ের সমান অধিকার এবং সুযোগ থাকা উচিত। এটা উভয়ের জন্য রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক এবং সামাজিক সমতার মতবাদ”।

আমি আট বছর বয়স থেকেই লিঙ্গ-ভিত্তিক ধারনা সম্পর্কে প্রশ্ন করতে শুরু করি। আমাকে “নেত্রী” হিসেবে ডাকা হত এবং আমি এটা নিয়ে দ্বিধায় ছিলাম। কারন আমি চাইতাম, আমাদের অভিভাবকদের জন্য তৈরি করা নাটকের পরিচালক হতে– কিন্তু ছেলেরা চাইতো না।আমার বয়স যখন ১৪ তখন থেকেই মিডিয়া আমাকে যৌন আকর্ষক ভাবে উপস্থাপন করতে শুরু করে।

যখন আমার বয়স ১৫ তখন আমার মেয়েবন্ধুরা খেলাধুলা থেকে নিজেদের সরিয়ে নিল কারন তারা পেসিবুহুল হিসেবে নিজেদের উপস্থাপন করতে চাইল না। যখন ১৮ বছর বয়স আমার ছেলে বন্ধু তাদের অনূভুতি প্রকাশ করতে পারে নি।

আমি সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম যে আমি একজন নারীবাদী ছিলাম এবং এটা তখন আমার কাছে তেমন জটিল মনে হয়নি। কিন্তু আমার সাম্প্রতিক গবেষণা আমাকে দেখিয়েছে যে, নারীবাদ এখন একটি অপ্রচলিত শব্দ হয়ে গেছে।

আপাতদৃষ্টিতে আমি এমন পর্যায়ের মহিলাদের মধ্যে পড়ি, যাদের অভিব্যক্তিকে খুব শক্তিশালী, আক্রমণাত্মক, আলাদা, পুরুষ বিদ্বেষী এবং আকর্ষণশূন্য বলে মনে হয়। কেন শব্দটি এত অস্বস্থিকর?

আমি ব্রিটিশ নাগরিক এবং চিন্তা করতাম একজন নারী হিসেবে আমার পুরুষ বন্ধু যা পাচ্ছে আমার ও তাই পাবার  অধিকার আছে। আমি মনে করি যে  নারী হিসেবে  সিধান্ত নেবার অধিকার আমার আছে। আমি মনে করি আমার দেশের নারীরা দেশের পলিসি এবং সিদ্ধান্ত নেবার ক্ষেত্রে তাকে উচিত। আমি মনে করি সামাজিক ভাবে আমি সেই সম্মানেই পাই যা একজন পুরুষ পাচ্ছে। কিন্তু দুখের বেপার সারা দুনিয়ায় নারীরা এসব অধিকার পায় না।

কোন দেশই দাবি করতে পারবেনা যে, তারা লিঙ্গ বৈষম্য দূর করতে পেরেছে।

আমি ভাগ্যবান সেই অধিকারগুলো আমি পেয়েছিলাম যা আমি মানবাধিকার হিসাবে বিবেচনা করি। আমার জীবন কেবল বিশেষ অধিকারপ্রাপ্ত যে, আমার মা-বাবা মেয়ে বলে আমাকে কখনো কম ভালোবাসেনি। আমি মেয়ে বলে, আমার স্কুল আমাকে কখনো সীমাবদ্ধ করেনি। আমার প্রশিক্ষকরা কখনোই ভাবেননি, আমি হয়ত কম দূরে যেতে পারবো কারণ একদিন আমিও একটি সন্তান জন্ম দিবো। এই প্রভাব বিস্তারকারীরা লিঙ্গবৈষম্য দূত ছিলেন যারা আজকের আমিকে তৈরি করেছে। তারা হয়ত জানেওনা, কিন্তু অসতর্ক ভাবেই তারাও নারীবাদী ছিলেন। এবং আমাদের এরকম আরও অনেক কে দরকার। এবং এখনো যদি আপনি এই শব্দটি কে ঘৃণা করেন – এই শব্দ কে গুরুত্ব না দিয়ে বরং এর পিছনের চিন্তাধারা এবং উচ্চাকাঙ্ক্ষা কে গুরুত্ব দিন। ১৯৯৭ সালে হিলারি ক্লিনটন বেইজিং-এ নারী অধিকার নিয়ে একটি বিখ্যাত বক্তব্য উপস্থাপন করেছিলেন। তখন তিনি যা যা পরিবর্তন করতে চেয়েছিলেন, তা এখনো রয়ে গেছে।

তবে যেটা আমার বেশি চোখে লেগেছে যে, শ্রোতাদের মধ্যে মাত্র ৩০  শতাংশ ছিল পুরুষ। কিভাবে আমরা পরিবর্তন আনবো, যেখানে মাত্র অর্ধেক লোক এসেছে বা এরকম কথাবার্তায় নিজেদেরকে স্বতঃস্ফূর্ত মনে করছে? পুরুষগণ– আমি আপনাদের এই আনুষ্ঠানিক আমন্ত্রণটি সম্প্রসারিত করার সুযোগ গ্রহণ করতে চাই। লিঙ্গ সমতার সমস্যাটি আপনারও সমস্যা। কারন আজ পর্যন্ত, একজন সন্তান হিসেবে, সমাজ আমার বাবার একজন অভিভাবক হিসেবে ভূমিকার চেয়ে মায়ের ভূমিকাকে কম মূল্য দিয়েছে; যদিও তাদের দুজনেরই আমার জীবনে সমান প্রয়োজন রয়েছে।

আমি তরুণদেরকে দেখেছি মানসিক রোগে ভুগতে। তারা সাহায্য চাইতে পারেনি, কারন তারা ভয় পেত যে সাহায্য চাইলে তাদেরকে কাপুরুষ মনে করা হবে। এমনকি যুক্তরাজ্যে ২০-৪৯ বছর বয়সী পুরুষ মারা যায় আত্মহত্যার কারনে; যা সড়ক দুর্ঘটনা, ক্যান্সার এবং হৃদরোগের চেয়েও বেশি। আমি পুরুষদের দেখেছি যে, সফলতার সংজ্ঞার কারনে তারা কিভাবে ভঙ্গুর হয়ে যায়। পুরুষদের মধ্যেও সম অধিকার নেই।

সমাজের লিঙ্গবৈষম্যে দ্বারা শৃঙ্খলাবদ্ধ পুরুষদের নিয়ে আমরা খুব বেশি কথা বলি না কিন্তু আমি অনুভব করেছি তাদের সীমাবদ্ধতা এবং এটাও বুঝতে পেরেছি যে যখন তারা এই শৃঙ্খল থেকে মুক্ত হবে তখন স্বভাবতই নারিরাও মুক্ত হবে । যদি পুরুষ মাত্রই আক্রমনাত্মক নাও হতে পারে তাহলে নারী মাত্রই নতমস্তক নহে । যদি পুরুষদের নিয়ন্ত্রণ করার প্রয়োজন না থাকে তাহলে নারীদেরও নিয়ন্ত্রিত হওয়ার আবশ্যকতা দেখি না ।

পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই মুক্ত মনে করা উচিত। পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই শক্তিশালী মনে করা . বিপরীতধর্মী শ্রেণী হিসাবে না দেখে দুইটি লিঙ্গকে একই বর্ণালিতে ফেলে দেখার সময় হয়েছে। যদি আমরা যা নই, তা দিয়ে আমাদের সংজ্ঞায়িত করা বন্ধ করি এবং আমরা সত্যিই যা, তা হিসেবে সংজ্ঞায়িত করতে শুরু করি, তাহলে আমরা আরও স্বাধীন হতে পারবো এবং এজন্যই HeForShe। এটা মুক্তির জন্য , স্বাধীনতার জন্য।

আমি চাই পুরুষেরা তাদের মজ্জার মধ্যে এটি ধারণ করুক , জাতে তাদের কন্যা , বোন এবং মায়েরা এই কুসংস্কার মুক্ত হতে পারেন এবং একই সাথে তাদের পুত্রদেরকে নিরাপদ ও মানবিক রাখার জন্যও – তাদের হারিয়ে যাওয়া স্বত্ত্বাকে তারা যেন খুঁজে পান এবং এভাবে যেন সার্থক ও স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে উঠেন ।

আপনি চিন্তা করতে পারেন এই হ্যারি পটার এর মেয়ে টি কে? এবং সে জাতিসংঘের মঞ্চে কি করছে। এটি একটি ভালো প্রশ্ন এবং বিশ্বাস করুন আমি নিজেও নিজেকে জিজ্ঞাসা করছি এই একি কথা। আমি জানি না যদি আমি এখানে যোগ্যতাসম্পন্ন হই কিনা। আমারা সবাই জানি যে আমি এই সমস্যার ব্যাপারে যত্নশীল। এবং আমি এটি আরও ভালো করতে চাই এবং আমি  যখন দেখি তখন দেখি এবং সুযোগ পাই আমি মনে করি এটা আমার দায়িত্ত যে আমি কিছু বলি। ইংলিশ  এডমন্ড বুরক বলেনঃ “প্রকৃতপক্ষে খারাপ সকল স্বত্তার বিজয়কে নিশ্চিত করার জন্য কিছু ভাল নারী ও পুরুষের নিষ্ক্রিয় থাকাই যথেষ্ট ।”

এই বক্তৃতার জন্য আমার বিচলতা এবং আমার সন্দেহের সময়ে আমি নিজেকে দৃঢ় ভাবে বলেছি – যদি আমি না, তাহলে কে, যদি এখন না হয়, তাহলে কখন। যদি আপনার সামনে ঠিক একই সন্দেহ আসে যখন আপনার হাতে সুযোগ আছে, আমি আশা করবো আমার কথাগুলো আপনার জন্য সহায়ক হবে।

কারণ বাস্তবতা হচ্ছে এখনো যদি আমরা কিছু না করি তাহলে হয়ত ৭৫ বছর, কিংবা আমার মতে প্রায় একশ বছর লাগবে নারীদের একই কাজে পুরুষের সমান বেতন আশা করতে। ১৫.৫ মিলিয়ন কন্যা পরবর্তী ১৬ বছরে বাল্যবিবাহের স্বীকার হবে। এবং এই বর্তমান হারে ২০৮৬ সালের আগে সকল আফ্রিকান মেয়ের পক্ষে মাধ্যমিক শিক্ষা গ্রহন সম্ভব নয়। আপনি যদি সমতায় বিশ্বাস করেন, তাহলে আপনি তাদের মধ্যে একজন যারা অসাবধানী নারীবাদী আমি অাগেই ব্যক্ত করেছি এবং এইজন্য আমি আপনাকে সাধূবাদ জানাই।

আমরা একটি সংঘবদ্ধ শব্দের জন্য সংগ্রাম করছি কিন্তু ভাল খবর আমাদের সংঘবদ্ধ আন্দোলন আছে। এটা বলা হয় হিফরসি। আমি আপনাদের এগিয়ে আসার আমন্ত্রন জানাচ্ছি, দেখা হবে উচ্চকন্ঠে বলুন,

এবং জিজ্ঞাসা করুন নিজেকে যদি আমি না তাহলে কে ? যদি এখন না তাহলে কখন ?

ধন্যবাদ।

One response

Post a comment

  1. Poulami Atha wrote on :

    I am a girl 22 years old… Doing MCA… I want to independent…. I want to do JOB .. but my parents force me for marriage.
    what should i do???? is that possible to HEFORSHE campaign in INDIA ?????

Post Your Comment